মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং, বাংলা ৭, আশ্বিন ১৪২৭
Creation Plus
  • আস সাদিক সুজন
  • ১৫৯৬৯৮৬৩৮০

গণধর্ষণ ও হত্যার পর লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয় প্রেমিক

গণধর্ষণ ও হত্যার পর লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয় প্রেমিক

নারায়ণগঞ্জে একমাসের বেশি সময় ধরে নিখোঁজ পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর (১৫) বাবার মামলায় গ্রেফতার তিন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। রবিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন হোসেন ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ুন কবিরের পৃথক আদালতে তিন আসামি জবানবন্দি দেয়।

আসামিরা হলেন বন্দরের খলিলনগর এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ (২২), বুরুন্ডি পশ্চিমপাড়া এলাকার সামসুদ্দিনের ছেলে রাকিব (১৯) ও নৌকার মাঝি খলিল।

সূত্র জানায়, আসামিরা জবানবন্দিতে বলেছে,প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে শিক্ষার্থীকে ডেকে আনার পর তাকে নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌকায় ঘুরতে যায় তারা। পরে তাকে পালাক্রমে তিনজন ধর্ষণ করে। এরপর মাঝি ও দুজন মিলে তাকে হত্যা করে। পরে লাশটি নদীতে ফেলে দেয় প্রেমিক।

গত ৪ জুলাই থেকে নিখোঁজ পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রী। ঘটনার একমাস পর ৬ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শিক্ষার্থীর বাবা। 

মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, আমার মেয়ের সাথে আব্দুল্লাহ যোগাযোগ করতো। সে তাকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রেমের প্রস্তাব দিত। এতে বাধা দিলে মেয়েকে অপহরণের হুমকি দিত। ৪ জুলাই সন্ধ্যায় আব্দুল্লাহ ফোনে ঠিকানা দিলে আমার মেয়ে সেই ঠিকানায় যায়। পরে তাকে গাড়ি দিয়ে অপহরণ করে আব্দুল্লাহ ও তার সহযোগীরা। এরপর থেকেই আমার মেয়ের কোনো খোঁজ নেই।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মামলা দায়েরের পরেই আমরা দ্রুত দুই আসামিকে গ্রেফতার করি। পরে মাঝিকেও গ্রেফতার করি। তাদের দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী খোঁজ করেও ভিকটিম বা তার মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আসামিরা নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।


এ জাতীয় আরো খবর